সচেতন নাগরিক কমিটি, বাংলাদেশ।
সচেতন নাগরিক কমিটি, বাংলাদেশ।

সচেতন নাগরিক কমিটি, বাংলাদেশ।

1197 Members
11 w ·Translate

ত্রিশ উর্ধ্ব মেয়েটা জানে পরিবার কতটা কঠিন শব্দ। গায়ের রংয়ের ছি চিৎকার যখন আশেপাশের মানুষের থেকেও বেশি পরিবারের মানুষ করে ঠিক তখনই বোঝা যায় মেয়েটা কত বোঝা হয়ে গেছে সবার।

অথচ এই মেয়েটা যখন মাস্টার্স কমপ্লিট করেও চাকরি পাচ্ছিলো না তখন দিনরাত এক করে এলাকার সব টিউশনিটাকে নিজের দখলে রেখেছিল বছরের পর বছর।
পরিবারের আরেক মেয়ে ইন্টার পড়ুয়া আজকাল বড় মেয়েটাকে দেখতে এসে ছোট মেয়েটাকে পছন্দ হয় বলে যখন পাত্রপক্ষ জানায় ঠিক তখনই মেয়েটাকে আবারও পড়তে হয় পরিবারের রোষানলে।

কিন্তু দিনশেষে এতটা পরিশ্রমের পরেও মেয়েটা বুঝতে পারে মা কি চায়।
বাবা,ছোট বোন,ছোট ভাই কি চায়! আত্মীয়-স্বজন কি চায়।
কানাঘুষা পাশের রুম থেকে আওয়াজ আসে মা বোনের ঝগড়া আর তার একমাত্র কারণ সে।
কোনো অনুষ্ঠানে গেলেই অসংখ্য বার শুনতে হয় 'কুড়িতেই বুড়ি'মেয়েরা।

কলেজ জীবন থেকে যে মানুষটা সারাজীবন হাত ধরে রাখার প্রতিজ্ঞা করেছিলো সেও গত দুইবছর যাবৎ দাম্পত্যে মশগুল সে এখন অন্য কারো হাত ধরে অনাকাঙ্ক্ষিত ভবিষ্যতের অপেক্ষায়।
সেও পরিবার নামক অজুহাতে পিছুটান দিয়ে গেছে।

কিন্তু তবুও মেয়েটার মুখে থাকে বিজয়ের হাসি।
তার সারাদিনের কষ্টের রোজগারের টাকায় চলে সংসারের অর্ধেক আবদার।
তবুও সে অবহেলিত পরিবার নামক আস্থার জায়গায়।

ভালো থাকার অভিনয় করতে করতে আজ সে নিজের কাছে নিজেই সেরা অভিনেত্রী।



ছবিঃসংগৃহীত।

image
11 w ·Translate

মেহেরবাঈ টাটা।

নিচের ছবিটি লেডি মেহেরবাঈ টাটার । তার বুকে ঝুলছে ২৪৫ ক্যারাটের একটি হীরা । এটির আকার কোহিনূরের দ্বিগুন ।

এই হীরাটি তার স্বামী ডোরাবজী টাটা ১৯০০ সালে তাকে উপহার দিয়েছিলেন । কিন্তু ভাগ্যের খেলায় ১৯২০ সালে এই হীরাটাই বন্ধকি রেখে টাটা আয়রন এন্ড স্টীল কোম্পানিকে সংকট থেকে বাঁচিয়ে ছিলেন এই ভদ্রমহিলা ।

লেডি মেহেরবাঈ টাটা ১৯২৪ সালে প্যারিস অলিম্পিকে টেনিসে মিক্সড ডাবলসে খেলেছিলেন ।
উনি শাড়ী পরতেন সবসময়ই ।

১৯৩১ সালে লিউকোমিয়াতে মারা যান তিনি ।

এরপর তার স্বামী ডোরাবজী টাটা তার সেই হীরা ও অন্য সমস্ত গয়না বিক্রি করে একটি তহবিল তৈরী করেন এবং সেই তহবিল থেকেই টাটা ক্যান্সার হসপিটাল- এর সৃষ্টি হয় ।

আমার দেশের হাজার হাজার ক্যান্সার রোগী প্রতিবছর এই হাসপাতালে গিয়ে নিজের চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ হয়ে আসেন. এই মহীয়সী নারী ও তার পরিবারের প্রতি জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা.

সংগৃহীত

image